ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ডা. আদনান ইব্রাহীম এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আই.সি.ইউ তে স্থানান্তর করা হচ্ছে।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অভিযোগ জানায়, ডা. আদনান ইব্রাহীম এর চিকিৎসায় হাসপাতাল প্রশাসনের সহযোগিতার মনোভাব ছিল না।
আহত ইন্টার্ন চিকিৎসকের অবস্থার অবনতি হলে, হাসপাতালটির রেডিওলজি বিভাগে জরুরি ভিত্তিতে সিটি স্ক্যানের জন্য রোগীকে নিয়ে গেলে, ঐ বিভাগের কর্মচারীরা অনুমোদন ছাড়া সিটি স্ক্যান করতে অপরগতা প্রকাশ করে।

হাসপাতালের ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. আফজাল হোসেনের কাছে অনুমতি নিতে গেলে সে অসহযোগিতা পূর্ন মনোভাব দেখায়।
আহত ডা. আদনান উক্ত হাসপাতালের বর্তমান ইন্টার্ন চিকিৎসক হওয়ার পরও, প্রশাসনের এহেন আচরনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা!

আরও খবর  গ্রামীণফোনের খামখেয়ালীতে বিপাকে উলানিয়া, রনগোপালদীর সাধারন মানুষ

সর্বশেষ খবর অনুসারে, ডা. আদনান ইব্রাহীম ৮ বার বমি করেছে এবং ব্লাড পেশার ছিল ৮০/৬০।
দ্রুততার সহিত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

ঐদিকে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং অনুসারীদের ছুরিকাঘাতে আহত চিকিৎসক ও মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের কর্মীর উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে মানব বন্ধন করেছে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এর ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং শিক্ষার্থীরা। দ্রুত সন্ত্রাসীদের বিচারের আয়ত্তায় আনার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

উল্লেখ্য, গতকাল ১৮ মে, ২০১৯ সেহেরির পরে, চায়ের দোকানে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে, ফমেক ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. রায়হানুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ডা. আদনান ইব্রাহীম এবং ছাত্রলীগ কর্মী রেদোয়ান এর উপর হামলা করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও তার অনুসারীরা। এক পর্যায়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করলে গুরুতর ভাবে জখম হয় ডা. আদনান ইব্রাহীম।

আরও খবর  সব পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট বন্ধে করতে হাইকোর্টের নির্দেশ