দশমিনা পটুয়াখালী: পটুয়াখালী ( দশমিনা) দশমিনা উপজেলা পারিবারিক জের ধরে একটি কড়ই গাছ কর্তন না করায় ঝড়ের কবলে পরে বসত ঘরের উপরে গাছটি ভেঙ্গে উল্টে পরে বসত ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় ,দশমিনা উপজেলা রনগোপালদী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বশির মৃধার সাথে একই বাড়ির কামাল মৃধার সঙ্গে বিগতদিন ধরে,,মালিকানা ও ভোগদখলিয় বসত বাড়ির অংশ জায়গা জমি ও গাছপালা, জমি সংক্রান্ত নিয়ে বিরোধ করে আসতে থাকে বিবাদীরা , বিবাদী ,১/ নং কামাল হোসেন মৃধা ২/ নং আবু কালাম মৃধা ৩/ নং শাহনাজ বেগম ৪/নং সুফিয়া বেগম মিলে একটি কড়ই গাছ নিজেদের দাবী করিলে, ২/ও ৬/ নং সাক্ষীগণ স্থানীয় সালিশ ব্যবস্থার মাধ্যমে ১ নং সাক্ষী জাহাঙ্গীর মৃধাকে কড়ই গাছটি কাটিয়া নেয়ার সিদ্ধান্ত দেয়, কিন্তু বিবাদীরা সালিশগণের সিদ্ধান্ত অমান্য করে ১ নং জাহাঙ্গীর মৃধাকে গাছটি কেটে নিতে বাধা দেয় , ২০/৩/১৯ ইং তারিখে আনুমানিক দুপুর ২/৩০ মিনিটের সময় আসম্মিক ঝড় ছাড়িলে ঝড়ের কারণে কড়ই গাছটি পার্শ্ববর্তী জাহাঙ্গীর মৃধার বসতঘরের উপরে পরিলে তার বসতঘর ভেঙ্গে চুরে দুমরে মুচরে চুরমার হয়েযায়, এতে তার বসতঘরের মধ্যে থাকা মালামাল সহ ৮.০০০০০ ( আট লক্ষ) টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে যানান এ প্রতিবেদক কে।

এ ব্যপারে বাদী বশির মৃধার কাছে জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন পরদিন ২১/৩/১৯ তারিক আনুমানিক সকাল ১০ ঘটিকার সময় স্থানিয় ও বাড়ির অনান্য লোকজন ডেকে,১নং সাক্ষী জাহাঙ্গীর মৃধা ও আমি বশির মৃধা বসতঘরের সংস্কারের জন্য বসতঘরের উপর থেকে কড়ই গাছটি সরানোর চেষ্টা করিলে, তখন ঘটনাস্থলে এসে ৩/নং বিবাদী আবু কালাম মৃধা ও ৪/নং বিবাদী সুফিয়া বেগম স্থানান্তরে বাধা দিয়ে ঘটনাস্থলে ধামকাইয়া শাসাইয়া খুন ও জখমের ভয়ভীতি দেখায়, তাই নিজেদের জীবন রক্ষার্থে আমি ২১/৩/১৯ তারিখে সকালে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন । এব্যপারে দশমিনা থানা পুলিশকেও জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ এসে ঘটনা সত্যি বলে প্রমানীত পায়, কিন্তু এখন পর্যন্ত বাদীদের সমাধানের কোন শুরাহাও মেলেনি ।

আরও খবর  ত্রুটিপূর্ণ বিদুৎ সংযোগ, দুর্ঘটনায় প্রান গেলো গার্মেন্টস শ্রমিকের