আলিয়াকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে রণবীর!

59
ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসার সময় আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর

রণবীর কাপুর আর আলিয়া ভাটের প্রেম নিয়ে বিটাউনে এখন নানা খরব শোনা যায়। জানা গেছে, ২০১৯ সালে তাঁদের বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাঁদের বিয়েটা যে আগামী বছর হবে, এ ব্যাপারে অনেকেই নিশ্চিত। কারণ আলিয়া ভাট নাকি বিয়ের ব্যাপারে আর সময় নিতে চান না। আবার রণবীর কাপুর আরেকটু সময় নিতে চান। ওদিকে ঋষি কাপুর অসুস্থ। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তাঁর চিকিৎসা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, তিনি একটু সুস্থ হয়ে মুম্বাই ফিরে এলে রণবীর কাপুর আর আলিয়া ভাটের বিয়ে চূড়ান্ত করবেন।

বলিউডের এই দুজন জনপ্রিয় তারকা ইদানীং একসঙ্গে একান্তে বেশির ভাগ সময় কাটাচ্ছেন। যেহেতু রণবীর কাপুরের বাবা-মা দুজনই এখন নিউইয়র্কে, তাই প্রেমিককে মানসিকভাবে সাপোর্ট দিচ্ছেন প্রেমিকা আলিয়া ভাট। দুজন কাছাকাছি থাকছেন। একজন আরেকজনের সুবিধা-অসুবিধা দেখছেন। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, তাঁদের দুজনকে সম্প্রতি একটি পাঁচ তারকা হোটেল থেকে বের হতে দেখা গেছে। তাঁরা নাকি এখানে একান্তে ছিলেন। আবার ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে তাঁদের দুজনকে একই ক্যারাভ্যানে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিতে দেখা যায়। তাঁরা ক্যারাভ্যানের দরজা খুলেছেন দীর্ঘ সময় পর।

আরও খবর  "2.0" পাইরেসি ঠেকাতে ১২হাজার ওয়েবসাইট বন্ধ

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসার সময় আলিয়া ভাট ও রণবীর কাপুর

এবার আলিয়া ভাটকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান রণবীর কাপুর। আর তা ধরা পড়েছে পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায়। ছবিটি প্রকাশ পাওয়ার পর অনেকেরই প্রশ্ন, ব্যাপার কী! হঠাৎ কী এমন হলো যে আলিয়াকে নিয়ে রণবীরকে ডাক্তারের কাছে ছুটতে হলো? জানা গেছে, সম্প্রতি ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে আঘাত পান আলিয়া ভাট। আর সে কারণেই আলিয়াকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান রণবীর। ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার সময় আলিয়াকে বেশ বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তবে সে যা-ই হোক, ছবি দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, আলিয়ার ব্যাপারে রণবীর অত্যন্ত যত্নশীল।

গত শনিবার ‘গোল্ডেন রোজ অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানে আলিয়া ভাটকে কাছে পান সাংবাদিকেরা। তখন তাঁকে বিয়ের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়। আলিয়া ভাট বলেন, ‘যদি সবাই আমার বিয়ের জন্য অপেক্ষায় থাকেন, তাহলে তাঁদের আরও অপেক্ষা করতে হবে। শেষটা ভালো হওয়া উচিত। তাই অপেক্ষা করুন, আমার বিয়ের এখনো অনেক দেরি আছে।’