man is by nature a political animal -এ্যারিস্টোটল। নিশ্চয়ই মাশরাফিও এর ব্যতিক্রম নয়। একজন মানুষ হিসেবে সেও পলিটিক্যালি প্রভাবিত হবে এটাই স্বাভাবিক। এ নিয়ে নেগেটিভ কিছু দেখছি না। মাসলোর চাহিদা সোপানের ৫ম ধাপ হলো আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা৷ আত্মপ্রতিষ্ঠার চাহিদা যখন পূর্ণ হয় তখন বর্তমান সময়ে নতুন এক চাহিদার উদ্ভব হয় সেটা হলো কমিউনিটি নিয়ন্ত্রণ। সো মাশরাফিও সে পথেই হাঁটছে। থিউরিটিকাল্যি এটাই স্বাভাবিক।

সে এমপি হলে হবে তাতে আমাদের কি? কত অযোগ্য লোকই তো পার্লামেন্টে যায় সে হিসেবে মাশরাফি অযোগ্য নয়। তবে এ্যাথলেট হিসেব তার ফোকাস হওয়া উচিত স্বীয় প্রফেশনালিজমে। দু নৌকায় পা দিলে ফলাফল নিশ্চয়ই পজিটিভ হয় না৷ রাজনীতিতে মাশরাফি ভালো কিছু করবে আশাবাদী তবে সে সময়টা আর কিছুদিন পরে হলে হয়তো মন্দ হতো না!

উল্লেখ্য, সরকারি বেতনভুক্ত কেউ পার্লামেন্ট মেম্বার হতে পারে না। তবে গেজেট নামক নথির ফাঁক দিয়া তারও একটা বন্দোবস্ত হয়ে যাবে! কিন্তু একজন এমপি বোর্ড সভাপতির থেকেও বেশি ক্ষমতা বলে অনুশীলন বাদ দিয়ে সংসদে গেলো কেউ কিছু বলার থাকবে না।

আরও খবর  ইমরুল রুপকথার জাদুকর

আর আফসোস তাদের জন্য যারা এন্টারটেইনমেন্ট আর প্যাট্রিজমের মধ্যে ব্যবধানটা গুলিয়ে ফেলে এন্টারটেইনিং বিজনেস পলিসির ফাঁদে পা দিয়ে আবেগ তাড়িত হয়ে একজন প্রফেশনাল এ্যাথলেটকে কখনো মহামানব আবার কখনো বীর বানিয়ে দেয়!

মাশরাফি একজন ক্রিকেটর সো ওতটুকুই থাক না এর বেশি কে মাথায় তুলে নাচতে বলে? আবার এখন কেউ কেউ মাথা থেকে ঝেড়ে সোজা জুতার নিচে নামাচ্ছেন! মাশরাফি একজন প্রফেশনাল এ্যাথলেট সো এর বেশি কিছু না ভাবাই শ্রেয়। তার ব্যক্তিগত জীবন আর রাজনৈতিক দর্শন তার একান্ত ব্যক্তিগত।
আবার তেমনি ভাবে একজন সেলিব্রিটিকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা করাও অযৌক্তিক নয়! তবে সেটা গঠনমূলক হওয়া বাঞ্ছনীয়।

আবেগ মন্দ নয় তবে অতি আবেগ ভালো নয়।

আরও খবর  দিবালার হ্যাটট্রিকে জয় জুভেন্টাসের।

লিখেছেন : পারভেজ হাসান, ক্রিকেট বিশ্লেষক।