‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ এর জন্য মনোনীত হয়েছে ৫০ জন তরুণের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন

41

চলতি বছরের ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ এর জন্য মনোনীত হয়েছে ৫০ জন তরুণের প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। এর মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পুরস্কার পায়। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জনসচেতনতা তৈরিতে মাদারীপুরের ডিজিটাল সেন্টার, খুলনার ‘গুরুকূল’, ‘প্রকৃতি ও প্রজন্ম’, কুষ্টিয়ার ‘তারুণ্য ৭১’। পরিবেশ রক্ষার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন: সুনামগঞ্জের ‘পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংগঠন’ নওগাঁর ‘প্রাণ ও প্রকৃতি’, বরিশালের ‘ইয়ুথ নেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস, সাতক্ষীরার ‘সফল শ্রিম্ফ সার্ভিস সেন্টার’, ‘প্রথম সূর্য অ্যাগ্রো ফার্ম’।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় রোববার বিকালে সাভারের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে এই তরুণদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।এতে বাংলাদেশ থেকে আসা প্রায় দুইশ জন ইয়ং বাংলার প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেছেন। দুইদিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিন রবিবারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র এবং তার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে ৫০টি প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় দিন সেরা ৩০ প্রতিষ্ঠানকে বাছাই করে হাতে তুলে দেওয়া হয় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। সেরা ১০ প্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের হাত থেকে এই পুরষ্কার গ্রহণ করে। অনুষ্ঠানের প্রথম দিনে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. এনামুর রহমান।

উল্লেখ্য, তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ (সিআরআই) ২০১৪ সালের নভেম্বরে দেশের তরুণদের সর্ববৃহৎ প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করে। ২০১৫ সাল থেকে তাদের অনুপ্রাণীত করতে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করে আসছে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’। এরই ধারাবাহিকতায় দেশ গঠনে তরুণদের সৃজনশীল উদ্যোগকে স্বাগত জানাতে এবার তৃতীয়বারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড-২০১৮’।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের এই স্বীকৃতিতে উচ্ছ্বসিত আই টি সেক্টরের সবাই। এই ধারা আগামীতে অব্যাহত থাকবে বলে আশা আমরা আশা করতেই পারি।